Saizul Amin

Web Designer

Sportsperson

Technical Writer

Expert SEO

Saizul Amin

Web Designer

Sportsperson

Technical Writer

Expert SEO

Blog Post

ফরসেজ (Forsage); বৈধ অবৈধ, হারাম হালাল, নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা

March 6, 2021 Cryptocurrency
ফরসেজ (Forsage); বৈধ অবৈধ, হারাম হালাল, নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা
অনেকেই আছে যারা মনে করে ফরসেজ মানেই ব্লকচেইন। তারা ব্লকচেইনের সঠিক সংজ্ঞা জানেনা। তারা ফরসেজকেই ব্লক চেইন মনে করে। কিন্তু দুইটা একেবারেই আলাদা বিষয়।
প্রথমে আসি ফরসেজ, ব্লকচেইন, ক্রিপ্টোকারেন্সি (বিটকয়েন, ট্রন, ইথারিয়াম ইত্যাদি) এগুলা দেশে বৈধ নাকি অবৈধ।

তার আগে আপনাদের জানতে হবে, ব্লক চেইন প্রযুক্তি কী?

ব্লক চেইন হচ্ছে গ্রাহক থেকে গ্রাহকে লেনদেনের একটি ব্যবস্থা, যেখানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তৃতীয় কোন পক্ষের সাহায্য ছাড়াই লেনদন সম্পন্ন হবে। এর মাধ্যমে গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা যায়।
উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, আপনি যখন এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় আপনার বন্ধুর কাছে টাকা পাঠাতে চাইবেন, তখন আপনাকে ব্যাংকের সহায়তা নিতে হবে, যা মূলত তৃতীয় পক্ষ। আপনি যদি এক দেশ থেকে অন্য দেশে বৈধ উপায়ে মুদ্রা পাঠাতে চান, তাহলে আপনাকে সরকারের অনুমতি নিতে হবে। অন্যথায় আপনি লেনদেন করতে পারবেন না। ঠিক এখানেই ব্লক চেইন প্রযুক্তির সুবিধা বিদ্যমান, যেটার মাধ্যমে তৃতীয় কোন পক্ষের সাহায্য ছাড়াই আপনি লেনদেন করতে পারবেন।
যা (ব্লকচেইন) বাংলাদেশে পুরোপুরি নিষিদ্ধ। তবে ব্লকচেইন নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা করছে সরকার। (সূত্রঃ উইকিপিডিয়া, প্রথম আলো, ঢাকা ট্রিবিউন, বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়য়েবসাইট)
এবার আসি ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে, এগুলা দেশে বৈধ নাকি অবৈধ।
তার আগে আপনাদের জানতে হবে, ক্রিপ্টোকারেন্সি কী?
ক্রিপ্টোকারেন্সি এক ধরনের সাংকেতিক মুদ্রা। যার কোন বাস্তব রূপ নেই। এর অস্তিত শুধু ইন্টারনেট জগতেই আছে। এটি ব্যবহার করে লেনদেন শুধু অনলাইনেই সম্ভব। যার পুরো কার্যক্রম ক্রিপ্টগ্রাফি নামক একটি সুরক্ষিত প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়। ২০১৭ সাল থেকে এটি একটি উঠতি মার্কেটি পরিণত হয়েছে।
ক্রিপ্টোকারেন্সি (বিটকয়েন, ট্রন, ইথারিয়াম ইত্যাদি) বাংলাদেশে স্বীকৃত নয়, এক কথায় নিষিদ্ধ। বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক দেশে এই মুদ্রার ব্যবহার বৈধ করেনি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করে এই মুদ্রার লেনদেনে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ সম্পর্কিত আইনের লঙ্ঘন হতে পারে।
ক্রিপ্টোকারেন্সি এক ধরনের পিয়ার টু পিয়ার ব্যবস্থা। এতে তৃতীয় পক্ষের কোন নিয়ন্ত্রণ থাকে না। তাই কে কার কাছে এই ডিজিটাল মুদ্রা বিনিময় করছে তা অন্য কেউ জানতে পারে না। আবার পরিচয় গোপন রেখেও এটা দিয়ে লেনদেন করা যায়। তবে এর এনক্রিপটেড লেজার সব লেনদেনকে ঝুঁকিপূর্ণ হওয়া থেকে নিয়ন্ত্রণ করে। ক্রিপ্টোকারেন্সির ভ্যালুর উপর কোন দেশের সরকারেই হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা নেই। তাই পৃথিবীর অনেক দেশেই এ ডিজিটাল মুদ্রার উপর সে দেশের সরকারের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের জনগণকে ক্রিপ্টোকারেন্সি বিষয়ে সতর্ক করে বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে। তাতে বলা হয়, বিভিন্ন ওয়েবসাইট(ফরসেজ টাইপ) ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে দেশে ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন হচ্ছে, যা কোনও নিয়ন্ত্রক সংস্থা কর্তৃক অনুমোদিত নয়। এসব ভার্চুয়াল মুদ্রার ব্যবহার বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৪৭, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯ এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর দ্বারা সমর্থিত হয় না। ফলে মানুষের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। বিটকয়েনের দেখাদেখি অবশ্য আন্তর্জাতিক বাজারে এখন অনলাইনভিত্তিক আরও কিছু ভার্চুয়াল মুদ্রাও এসেছে। এর মধ্যে ইথারিয়াম, রিপ্পেল, ট্রন ও লিটকয়েন বিভিন্ন বিনিময় প্ল্যাটফর্মে লেনদেন হচ্ছে। এসব ভার্চুয়াল মুদ্রা কোনও দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ইস্যু করা বৈধ মুদ্রা নয়। ফলে এর বিপরীতে কোনও আর্থিক দাবির স্বীকৃতিও নেই। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নামবিহীন বা ছদ্মনামে অনলাইনে ভার্চুয়াল মুদ্রায় লেনদেনের দ্বারা মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ সম্পর্কিত আইনের লঙ্ঘন হতে পারে
এছাড়া, অনলাইন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভার্চুয়াল মুদ্রায় লেনদেনকারী গ্রাহকরা ভার্চুয়াল মুদ্রার সম্ভাব্য আর্থিক ও আইনগত ঝুঁকিসহ বিভিন্ন ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারেন। সম্ভাব্য আর্থিক ও আইনগত ঝুঁকি এড়াতে বিটকয়েনের মতো ভার্চুয়াল মুদ্রায় লেনদেন বা এসব লেনদেনের প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ জানায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠা ভার্চুয়াল মুদ্রা ক্রিপ্টোকারেন্সি বাংলাদেশে বৈধ নয় জানিয়ে তা দিয়ে লেনদেন না করার নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। “সেই লোভে পড়ে অনেকেই এই মুদ্রায় বিনিয়োগ করছে। কিন্তু হঠাৎ করে এর পেছনের লোকেরা বাজার থেকে সরে গেলে বিপদে পড়বেন অনেকেই।
“বিটকয়েন লেনদেন জুয়া খেলার চেয়েও মারাত্মক। জুয়া খেলতে তো ক্যাশ টাকা লাগে। এখানে সেটাও লাগে না। এটা বাড়তে থাকলে বিশ্বব্যাপী আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলে দিতে পারে।”
এবার আসি ফরসেজ সাইট টা দেশে বৈধ নাকি অবৈধ্য।
অনেকেই বলে বা মনে করে ফরসেজ টা ম্যাট্রিক্স পদ্ধতিতে কাজ করে। এর কারন হলো এটা ওভার ফ্লো আন্ডার ফ্লো এসব। তারা আবার এটাও বলে যে একজনের নিচে আরেকজন হলেই এমএলএম হয়ে যায়না।
কিন্তু ফরসেজটা প্রকৃতপক্ষে একটা এমএলএম (মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং) পদ্ধতিই। একজনের রেফার আরেকজনের নিচে উপরে চলে যাওয়াতে এটাকে ম্যাট্রিক্স বলা হয়। ইনকামটাও সেম একজনেরটা আরেকজনের কাছে। তাছাড়া এটা ফুল্লি মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং পদ্ধতিতে কাজ করে। এখানে আপনার আপ্লাইন যত উপরে থাকবে তার নিচে যতবেশি জয়েন হবে তার ইনকাম ততো হবে। কিন্তু সবার শেষে যে জয়েন হবে বার তার পরে আর যদি কেও জয়েন না করে তাহলে লাস্ট যে জয়েন হইছে তার ইনকাম শূন্য(০)।
এক গভেষণায় দেখা যায় মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং পদ্ধতির একটা সাইটে যদি ১০ লাখ মানুষ জয়েন করে তাহলে তাদের মাঝে সবার আগে যে জয়েন করেছে তার ইনকামের ১০ লাখ ভাগের একভাগও সবার শেষের জন পাবেনা। কারন তার পরে আর কেও জয়েন হবেনা। তাই কোনো ইনকামও নাই। (সূত্রঃ ইন্টারনেট)
আর ফরসেজ সাইটটা সম্পূর্ণ অবৈধ্য। বিশেষ করে ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন আর মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং পদ্ধতির জন্য। জাতীয় সংসদ ভবন থেকে: অবৈধভাবে বা আইনভঙ্গ করে কেউ বিতর্কিত মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) ব্যবসা পরিচালনা করলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংসদে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এমএলএম কোম্পানিগুলো পুনরায় যাতে সক্রিয় হয়ে জনগণকে প্রতারিত করতে না পারে সে লক্ষ্যে সরকার তিনটি পৃথক আইন প্রণয়ন করেছে। জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সংসদ সদস্য মন্ত্রী এসব কথা জানান। মন্ত্রী জানান, এমএলএম ব্যবসা কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে সরকার মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং কার্যক্রম (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ এবং মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং কার্যক্রম (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০১৪ ও সংশোধিত বিধিমালা, ২০১৪ প্রণয়ণ করেছে। তিনি জানান, এমএলএম আইন, ২০১৩ অনুসারে আইন অমান্য করে এমএলএম পদ্ধতিতে ব্যবসা পরিচালনার জন্য অনূর্ধ্ব ১০ বছর এবং অনূন্য ৫ বছর কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
এছাড়া অবৈধভাবে বা আইনভঙ্গ করে কেউ এমএলএম ব্যবসা পরিচালনা করলে উক্ত আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সকল জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। (সূত্রঃ Bangla News 24, প্রথম আলো, যুগান্তর, কালের কণ্ঠ, The Daily Star)
এবার আসি ইসলাম ফরসেজ সম্পর্কে কি বলে? বা মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং সম্পর্কে কি বলে? এটার ইনকাম হারাম নাকি হালাল?
বর্তমান বাংলাদেশের মানুষের ইনটেনশন এমন হয়ে গেছে যে, যেখান থেকে টাকা আসবে সেটাই হালাল। ফরসেজ ব্যবহারকারী অনেকেই বলে এটা হালাল। বা তারা না জেনেই এমন কথা বলে। বা যারা ফরসেজে ভালো পজিশনে আছে তারা নিজের মতো নিজের ফতোয়া দেয় যে এটা হারাম না হালালও না। এটা মাকরূহ। আবার এটাও বলে যে, যারা বলবে ফরসেজ হারাম তারা নাস্তিক (নাউজুবিল্লাহ)।
যাইহোক এসব নিজের মতো করে কখনো বলবেন না। দুঃখ জনক হলেও সত্য যে, এক শ্রেণীর সরলমনা দ্বীনদার ভাইয়েরাও এ ব্যাপারে শরীয়তের হুকুম না জানার কারণে এবং অর্থলোভের বশবতী হয়ে এই সাইট গুলোতে যোগ দিচ্ছেন।
মুসলিম উম্মার নিকট গ্রহণযোগ্য কোন আলেম এই ব্যবসাকে জায়েয বলে ফতোওয়া দেন নি; বরং প্রথম সারির নির্ভরযোগ্য প্রায় সকল আলেমের কাছেই এসব কোম্পানীর কার্যক্রম বহুবার পেশ করা হয়েছে। তারা সকলেই এক বাক্যে এই সকল কোম্পানীতে যোগ দেয়াকে হারাম বলে ঘোষণা করেছেন এবং মুসলমানদেরকে এদের প্রতারণার জালে প্রবেশ করা হতে সাবধান করেছেন।
এ সকল বিজ্ঞ আলেমদের ফতোওয়াকে পাস কাটিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে এটিকে গ্রহণযোগ্য করার জন্য এক শ্রেণীর স্বঘোষিত আলেমদেরকে হাত করে ও কিছু সরলমনা আলেমদের চোখে ধুলো দিয়ে ফতোওয়া আদায় করা হয়েছে। শতভাগ হারাম একটি বিষয়কে ১০০% হালাল বলে ঘোষণা করার সাহস দেখাচ্ছে।
শুনা যাচ্ছে আমাদের দেশের কতিপয় আলেমও এই ব্যবসায় যোগ দিয়ে টাকা উপার্জন করা হালাল বলে ফতোওয়া দিয়েছেন এবং এই কোম্পানীর নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে সরলমনা দ্বীনদার যুব সমাজও তাদের ফতোওয়ায় বিভ্রান্ত হয়ে কোম্পানীতে যোগদিয়ে প্রতারিত হচ্ছে এবং অন্যদেরকেও বিভ্রান্ত ও প্রতারিত করছে। এই শ্রেণীর আলেমগণ হয়ত মনে করতে পারেন যে, আমাদের দেশে তারাই সর্বোচ্চ আলেম ও গবেষক।
তাদের ভাবা উচিত, এই ধরণের গখগ কোম্পানী শুধু আমাদের দেশেই নয়, অন্যান্য ইসলামী দেশেও রয়েছে বা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার চেষ্টা করেছে। সেখানের আলেমগণ এটাকে হারাম বলে ফতোওয়া দিয়েছেন। যার ফলে সংশ্লিষ্ট কতিপয় দেশের সরকার গখগ কোম্পানীগুলোকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
শুধু তাই নয় জনগণের সাথে প্রতারণা ও ঠকবাজি এবং দেশীয় অর্থনীতির উপর বিরুপ প্রভাব ফেলার কারণে অনেক অমুসলিম দেশেও এমএলএম কোম্পানী নিষিদ্ধ করেছে।
এমএলএম কোম্পানীর কার্যক্রমঃ সাধারণত এসব কোম্পানীতে কাজের ধরণ হচ্ছে প্রথমে একজন লোক নির্দিষ্ট ফিস দিয়ে কোম্পানীতে ভর্তি হবে। তারপর প্রশিক্ষণ নিবে এবং কোম্পানীর নির্দিষ্ট একটি প্যাকেজ ক্রয় করবে। সদস্য নিজে প্যাকেজ ক্রয় করার মাধ্যমে কোন কমিশন পাবে না। এবার তার কাজ হবে দুইজন লোক নিয়ে এসে কোম্পানীতে ভর্তি করা। সে যদি দুই জন লোক নিয়ে আসতে পারে এবং তারাও প্রথম ব্যক্তির ন্যায় কোম্পানীর পণ্য ক্রয় করে তাহলে প্রথম ব্যক্তির নামে একটি বৃক্ষাকারের নেটওয়ার্ক তৈরী করে নেটওয়ার্কে তারা এই দুইজন লোকের নাম লিখবে। এবার প্রথম ব্যক্তি কমিশন পাবে। এই নতুন দুইজন লোক এখনও কোন কমিশন পাবে না। এই দুইজন নতুন লোক যদি প্রথম ব্যক্তির পদ্ধতিতে অন্যান্য নতুন ৪জন লোক নিয়ে আসতে পারে তাহলে তারাও কমিশন পাবে এবং প্রথম ব্যক্তিও কমিশন পাবে। কেননা তারা প্রথম ব্যক্তির সরাসরি নীচে এবং তার নেটওয়ার্কে অবস্থানকারী। সর্বশেষ যোগদানকারীগণ কোন কমিশন পাবে না যতক্ষন না তারা পূর্বের লোকদের মতই নতুন লোক নিয়ে আসবে। এবার এই চার জন নতুন লোকের প্রত্যেকেই যদি দুইজন করে মোট আটজন লোক নিয়ে আসতে পারে, তবে তারা কমিশন পাবে, দ্বিতীয় স্তরের লোকেরাও পাবে এবং প্রথম ব্যক্তিও পাবে। এভাবে কোথায় গিয়ে এই চেইন বিচ্ছিন্ন হবে, তা আল্লাহ্ ছাড়া আর কেউ জানেন না। তবে এই নেটওয়ার্ক সিস্টেমের ব্যবসায় কোন ব্যক্তি প্রথমে সদস্য হওয়ার পর যদি নতুন লোক সংগ্রহ করতে না পারে, তবে সে কোন কমিশন পাবে না। (সূত্রঃ ইসলামিক জোন)
ফরসেজটা একটু ভিন্ন, সেটা হলো নতুন কাওকে নিয়া না আসলে আপলাইন ভালো ইনভেস্ট করে অন্যের রেফার নিজের নিচে নিয়ে আসা যায়। এটার জন্যই ফরসেজ ব্যবহারকারীরা এটার নাম দিয়েছে ম্যাট্রিক্স পদ্ধতি। এম. এল. এম কম্পানি সমূহে শরীয়তের বেশ কিছু নিষিদ্ধ বিষয়াবলী পাওয়া যাওয়ার ধরুন উলামায়ে কেরামগণ উক্ত ব্যবসা কে নাজায়েয বলে থাকেন।
Taggs:
Write a comment